সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৯৪°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেওয়ার পরও কেন ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মামদানি

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নিউইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানির প্রথম বৈঠক ঘিরে ছিল ভিন্ন রকম উষ্ণতা। অতীতের রাজনৈতিক শীতলতা ভুলে দু’জনকে দেখা গেছে এক বন্ধুত্বপূর্ণ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে কথা বলতে।

মার্কিন রাজনীতিতে ট্রাম্পের কঠোর ইমেজের সঙ্গে বৈঠকের দিনের আচরণ ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি ছিলেন শান্ত, আন্তরিক এবং অস্বাভাবিকভাবে সংযত। ক্যামেরার সামনে মামদানির হাত চাপড়ে দেওয়া কিংবা তাঁর বাহুতে মজার ছলে হালকা টোকা—সব মিলিয়ে ট্রাম্প যেন একজন অভিভাবকের মতোই আচরণ করেছেন।

অ্যান্ড্রু কুমোকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হওয়া ডেমোক্র্যাট দলের বামঘেঁষা নেতার উত্থান নিয়ে আগেই দেশজুড়ে আলোচনার ঢেউ উঠেছিল। একজন অভিবাসী পরিবারের সন্তানের নিউইয়র্কের মেয়র হওয়া—আর সেই নেতার প্রতি ট্রাম্পের এমন গ্রহণযোগ্য মনোভাব—রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বিস্মিত করেছে।

ওভাল অফিসে ট্রাম্প তাঁর পরিচিত লাল টাই পরে বসেছিলেন, যা রিপাবলিকান দলের প্রতীক। অন্যদিকে মামদানি দাঁড়িয়ে ছিলেন নীল টাই পরে—ডেমোক্র্যাট পরিচয়ের প্রতিফলন। দুই ভিন্ন আদর্শের প্রতিনিধি হলেও তাঁদের দেহভঙ্গিতে ছিল পারস্পরিক সম্মান ও সৌহার্দ্যের স্পষ্ট বার্তা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন,
“তিনি যদি ভালো কাজ করেন, আমি অবশ্যই খুশি হব।”
তিনি আরও জানান, বৈঠকটি খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ হবে—এমনটা তিনি আগে থেকেই অনুমান করেছিলেন, এবং বাস্তবেও তাই হয়েছে।

মামদানি কথা বলার সময় ট্রাম্প মনোযোগ দিয়ে তাঁর বক্তব্য শুনছিলেন। দুই ভিন্ন প্রজন্ম ও ভিন্ন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের এই দুই নেতার এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্তকে অনেকেই মার্কিন রাজনীতিতে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা