সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮২°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

১৩ বছর পর ঢাকায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার

দীর্ঘ ১৩ বছর পর সরকারি সফরে ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। শনিবার সকালে ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। ২০১২ সালের পর এটিই কোনো পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বাংলাদেশ সফর।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সফর দুই দেশের সম্পর্কের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কূটনৈতিক সূত্রমতে, দুই দশকের শীতল সম্পর্ককে আবার সক্রিয় করতে গত এপ্রিলে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালোচ ঢাকা সফর করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ইসহাক দার এসেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা করবেন।

 

গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও চুক্তি

সফরের দ্বিতীয় দিনে ইসহাক দারের মূল বৈঠকটি হবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে। প্রথমে তারা একান্ত বৈঠক করবেন, এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনা হবে। বৈঠক শেষে উভয় দেশের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, ব্যবসা, বিনিয়োগ, যোগাযোগ এবং দুই দেশের মানুষের চলাচল সহজ করার মতো বিষয়গুলো এই আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। বাংলাদেশ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বোঝাপড়া এবং অভিন্ন স্বার্থের ওপর জোর দেবে।

 

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সাক্ষাৎ

ঢাকা সফরে ইসহাক দার রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। কূটনৈতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ডি-৮ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে তৎকালীন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খারের ঢাকা আসার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি আসেননি। সর্বশেষ ২০১২ সালে ডি-৮ সম্মেলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে হিনা রাব্বানি খার ঢাকায় এসেছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষিতে পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ সক্রিয় করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, যার অংশ হিসেবেই এই উচ্চপর্যায়ের সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা