সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮৫°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৭ জনের মৃত্যু, আহত দেড় শতাধিক

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় হিন্দুকুশ এলাকায় আঘাত হেনেছে ৬ দশমিক ৩ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প। প্রাথমিক তথ্যমতে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং আহত হয়েছেন প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ।
দেশটির স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ আটকা থাকতে পারেন, ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (USGS) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার রাত ১২টা ৫৯ মিনিটে ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল হিন্দুকুশ পর্বতমালার খোলম এলাকা, যা মাজার-ই-শরিফ শহরের নিকটে এবং ভূগর্ভের প্রায় ২৮ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত।

অন্যদিকে, জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (GFZ) ভূমিকম্পটির মাত্রা সামান্য বেশি—৬ দশমিক ৪ বলে উল্লেখ করেছে।
রাজধানী কাবুলসহ আশপাশের অঞ্চলগুলোতেও কম্পন অনুভূত হয়, জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি’র স্থানীয় প্রতিনিধিরা। তারা জানিয়েছেন, কম্পনের সময় আতঙ্কে অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।

স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ভূমিকম্পে বহু ঘরবাড়ি, স্কুল ও ছোট-বড় স্থাপনা ধসে পড়েছে, এবং গ্রামীণ এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

উদ্ধারকর্মীরা ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অভিযান শুরু করেছে। আফগানিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, “পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি ও প্রচণ্ড ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান পরিচালনায় ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছি।”

আফগানিস্তান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে হিন্দুকুশ অঞ্চলটি ভূমিকম্প সক্রিয় এলাকার মধ্যে অন্যতম। গত কয়েক বছরে এ অঞ্চলে একাধিক শক্তিশালী ভূমিকম্পে শত শত প্রাণহানি ঘটেছে।

ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র এখনো পরিষ্কার নয়। আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিবেশী দেশগুলো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, ধ্বংসস্তূপ সরানো ও দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ পুনঃস্থাপন না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা