সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৯৩°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত

 আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে চলমান ঋণ কর্মসূচি এগিয়ে নিতে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সরকার আগামী জুন মাসেই ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড় পেতে আগ্রহী।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আগামী এপ্রিলে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য বসন্তকালীন বৈঠকে ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, কর্মসূচির আওতায় থাকা শর্তগুলো দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “সব শর্ত একসঙ্গে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী এগোব।”

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, বসন্তকালীন বৈঠকের পর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করবে। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদে ঋণ কিস্তি ছাড়ের বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। জুনে পর্ষদের বৈঠক থাকলেও, তা শেষ পর্যন্ত জুলাই পর্যন্ত গড়াতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়। পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলারে উন্নীত করা হয়। এ পর্যন্ত পাঁচ দফায় ৩৬৪ কোটি ডলার ছাড় হয়েছে, বাকি রয়েছে ১৮৬ কোটি ডলার। গত ডিসেম্বরে ষষ্ঠ কিস্তি পাওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত থাকে।

অর্থমন্ত্রী দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে চ্যালেঞ্জপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অর্থনীতি, শেয়ারবাজার ও কর-জিডিপি অনুপাত—সব ক্ষেত্রেই সংস্কার প্রয়োজন। তিনি জানান, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা হবে এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে পরিস্থিতি উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া ব্যবসা সহজীকরণ, ব্যয় হ্রাস এবং অর্থনৈতিক উদারীকরণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যার প্রতিফলন আসন্ন বাজেটে দেখা যাবে বলে জানান তিনি।

বৈঠক শেষে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের প্রতিনিধি কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন বলেন, সরকারের সঙ্গে নীতিগত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার প্রভাব বাংলাদেশের ওপরও পড়ছে।

 

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা