মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮৩°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে শোকপ্রকাশ

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ও শিয়া মুসলিমদের আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

সংসদের অধিবেশন শুরুতেই তার কর্মময় জীবন, রাজনৈতিক ভূমিকা ও ধর্মীয় নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করে একটি শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবে বলা হয়, খামেনির মৃত্যুতে বিশ্ব একজন প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা ও দূরদর্শী ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে। একই সঙ্গে তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানানো হয়।

শোকপ্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন আলি খামেনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জীবনের পর ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ৮৬ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর পর ইরানে সাত দিনের সরকারি ছুটি এবং ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

তার শিক্ষাজীবনের বিষয়ে বলা হয়, মাশহাদের একটি ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর তিনি নাজাফ ও কোমের উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষা কেন্দ্রে অধ্যয়ন করেন। সেই সময় আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির সান্নিধ্যে এসে শাহ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যুক্ত হন এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে একাধিকবার কারাবরণ করেন।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের নতুন রাষ্ট্র কাঠামো গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর কার্যক্রম তদারকিতে ভূমিকা রাখেন। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী গৃহীত শোকপ্রস্তাবটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভাষান্তর করে প্রয়াত নেতার পরিবারের কাছে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা