ডাকসু নির্বাচনের জন্য বন্ধ ঢাবি'র শাটল সার্ভিস, ভোগান্তিতে নারী শিক্ষার্থীরা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আসন্ন ডাকসু ও হল সংসদনির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইলেকট্রিক শাটলসার্ভিস সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশদেওয়া হয়েছে। প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীমউদ্দিনের নির্দেশে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্তএই সার্ভিস বন্ধ থাকবে। এতেসবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেনমূল ক্যাম্পাসের বাইরে থাকা নারী শিক্ষার্থীরা।
কেন বন্ধ হলো শাটল সার্ভিস?
গত ১২ মেথেকে গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই শাটল সার্ভিসচালু করে। এটি তিনটিরুটে চলাচল করত এবং স্বল্পখরচে যাতায়াতের সুযোগ করে দেওয়ায় শিক্ষার্থীদেরমধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।বিশেষ করে কুয়েত মৈত্রীহল ও শেখ ফজিলাতুন্নেছামুজিব হলের ছাত্রীরা এরসবচেয়ে বেশি সুবিধা ভোগকরত, কারণ তাদের হলগুলোমূল ক্যাম্পাস থেকে কিছুটা দূরেঅবস্থিত।
তবে প্রধান রিটার্নিংকর্মকর্তা এক চিঠিতে জানানযে, তাদের কাছে এমন তথ্যএসেছে যে এই শাটলসার্ভিসটি নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি বলেন, শাটলসার্ভিসের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত কিছু ব্যক্তি আসন্ননির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আছেন, যা ভোটারদের প্রভাবিতকরতে পারে। তাই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেসম্পন্ন করার স্বার্থে এইসিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া ও ভোগান্তি
শাটল সার্ভিস বন্ধহয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।বিশেষ করে দূরের হলেরছাত্রীরা যাতায়াতের খরচ ও সময়নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কুয়েত মৈত্রী হলের এক শিক্ষার্থীনুসরাত জাহান বলেন, শাটল সার্ভিস বন্ধহওয়ায় তাদের যাতায়াত খরচ অনেক বেড়েগেছে। যে দূরত্ব ১০টাকায় পাড়ি দেওয়া যেত, এখন তারজন্য ৪০-৫০ টাকাখরচ হচ্ছে। আরেক ছাত্রী মাকসুদাবিনতে হাবিব বলেন, এই শাটল সার্ভিসতাদের জন্য শুধু কমখরচের উপায়ই ছিল না, বরংনিরাপত্তার দিক থেকেও অনেকসহায়ক ছিল। তারা প্রশাসনেরকাছে আবেদন করেছেন যেন নির্বাচনের কারণেঅন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ রাখলেও শাটলসার্ভিসটি চালু রাখা হয়।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।