সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮৩°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

এ মাসেই হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে: নৌ পরিবহন উপদেষ্টা

জুলাই বিপ্লবের শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, চলতি মাসের মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে।
শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির নলছিটি লঞ্চঘাটের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি লঞ্চঘাট’ নামকরণের ফলক উন্মোচন শেষে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “হাদির হত্যাকারীরা যদি দেশের বাইরে আত্মগোপনে থেকেও থাকে, তাদের সেখান থেকেই খুঁজে বের করে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। সরকার এ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।”
তিনি আরও বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর স্মরণে নিজ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ লঞ্চঘাটটির নামকরণ করা হয়েছে। “ওসমান হাদী ছিলেন একজন বিপ্লবী। বিপ্লবীরা কখনো মরে না—তারা আদর্শ হয়ে বেঁচে থাকে,” বলেন নৌ উপদেষ্টা।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন বর্তমানে পার্শ্ববর্তী দেশে অবস্থান করছে। তাদের গ্রেপ্তারে কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আশ্বস্ত করেন, এ মাসের মধ্যেই ঘটনার পেছনের সব তথ্য জনসমক্ষে আনা হবে।
নৌ পরিবহন উপদেষ্টা বলেন, “হাদির নাম এখন আর শুধু বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত মানুষের কাছে তিনি এক প্রেরণার নাম হয়ে উঠেছেন।” স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই এই লঞ্চঘাটের নামকরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে শহীদ হাদির বোন মাছুমা আক্তার বলেন, “ওসমান হাদী ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন দিয়েছেন। আমরা কোনো প্রাপ্তি চাই না—শুধু ন্যায়বিচার চাই। ভাই হত্যার বিচার না হলে এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই।” তিনি দ্রুত খুনিদের বিচার দাবি করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিননউদ্দিন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, শহীদ হাদির ভগ্নিপতি আমির হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবি জানান। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের মাস্টারমাইন্ডদেরও আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।
এলাকাবাসীর মতে, শহীদ ওসমান হাদীর নামে লঞ্চঘাটের নামকরণ তাদের জন্য শ্রদ্ধা ও সম্মানের এক স্থায়ী নিদর্শন।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা