মার্কিন চাপের মুখে সিরিয়া–ইসরায়েল আংশিক নিরাপত্তা সমঝোতার পথে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র চাপের মুখে সিরিয়া ও ইসরায়েল সীমিত নিরাপত্তা চুক্তির আলোচনায় বসতে চলেছে। এই সমঝোতার লক্ষ্য—সাম্প্রতিক দখলকৃত ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনাদের সরিয়ে নেওয়া এবং দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত করা। তবে এটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি নয়, বরং আংশিক সমাধান হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
রয়টার্সের তথ্য বলছে, ওয়াশিংটন আশা করছে চলতি মাসের শেষ নাগাদ এ বিষয়ে অগ্রগতি দেখা যেতে পারে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্ব নেতাদের সামনে ইতিবাচক বার্তা দিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ উদ্যোগে চাপ সৃষ্টি করছেন।
সিরিয়ার প্রধান চাওয়া হলো—১৯৭৪ সালের যুদ্ধবিরতি অনুযায়ী একটি বেসামরিক বাফার জোন পুনর্গঠন, ইসরায়েলি বিমান হামলা ও সীমান্ত অতিক্রম বন্ধ করা এবং দখলকৃত অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার। তবে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত গোলান মালভূমির ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল এ ভূখণ্ড দখল করে নিয়েছিল, আর এবার সেটিকে আলোচনার বাইরে রাখার ইঙ্গিত মিলেছে।
তবে ইসরায়েলের অনমনীয় অবস্থানের কারণে চূড়ান্ত সমঝোতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বা কৌশলগত বিষয়ক মন্ত্রী রন ডার্মার এখনো এ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।