মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮৮°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার মার্কিন প্যারাট্রুপার মোতায়েন: ঘনীভূত হচ্ছে ইরান সংকট

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সেনাবাহিনী থেকে জানানো হয়েছে যে, উত্তর ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগ থেকে অভিজাত ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার ইতিমধ্যে ওই অঞ্চলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের দুজন পদস্থ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত সপ্তাহান্তেই প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেরিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন, যারা সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত কয়েক হাজার অতিরিক্ত নাবিক ও স্পেশাল অপারেশন্স ফোর্সের সঙ্গে যুক্ত হবেন।

যদিও এই সেনাদের সুনির্দিষ্টভাবে কোথায় মোতায়েন করা হবে তা নিরাপত্তার খাতিরে প্রকাশ করা হয়নি, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপটি আগে থেকেই প্রত্যাশিত ছিল। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে যে, ইরানের ভেতরে সরাসরি সেনা পাঠানোর বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। মূলত ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলে যে কোনো সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের সক্ষমতা বাড়াতেই এই অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানো হচ্ছে। এর আগে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনের কথা গুরুত্বের সাথে ভাবছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে এখন বেশ কিছু সামরিক বিকল্প রয়েছে বলে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে একটি প্রধান লক্ষ্য হতে পারে ইরানের খারগ দ্বীপ দখল করা, যেখান দিয়ে দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয়। এ মাসের শুরুতেই এই দ্বীপ দখলের সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তবে বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ ইরান তার শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বাহিনী দিয়ে ওই দ্বীপে পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা রাখে।

এছাড়া ইরানের ভেতরে স্থলসেনা পাঠিয়ে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে রয়েছে। যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়, তবে মার্কিন সেনাদের দীর্ঘ সময়ের জন্য ইরানের অভ্যন্তরে অবস্থান করতে হবে। অন্য একটি পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের উপকূলে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হতে পারে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র মূলত বিমান ও নৌবাহিনী ব্যবহার করে তাদের অভিযান পরিচালনা করতে চায়, তবুও পরিস্থিতির প্রয়োজনে উপকূলীয় অঞ্চলে স্থল বাহিনীর উপস্থিতি অপরিহার্য হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা