নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক, নির্বাচন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা
নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক: যেসব বিষয়ে গুরুত্ব পেল আলোচনা
বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. রহমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রভাবশালী কর্মকর্তা মি. পল কাপুর উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড নীতি, পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু উঠে আসে। উভয় পক্ষই এসব বিষয়ে সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সফরের অংশ হিসেবে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ড. রহমান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ডেপুটি সেক্রেটারি অব স্টেট ফর ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস মি. মাইকেল জে. রিগাস রাষ্ট্রদূতকে শপথবাক্য পাঠ করান।
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা, স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বাংলাদেশে দায়িত্ব পালন করা সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতরা এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডেপুটি সেক্রেটারি অব স্টেট বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সমর্থনের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী ও অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে পাশে রেখে কাজ করতে আগ্রহী।
নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন,
“বাংলাদেশের উজ্জ্বল গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্র পাশে রয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের ফলাফল দেখার অপেক্ষায় আছি এবং নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করে বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও গভীর করতে চাই।”
সফরের প্রতিটি কর্মসূচিতেই জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।