সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮৯°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

ঐতিহ্যবাহী ইফতার বাজারে রমজানের প্রাণচাঞ্চল্য-চক বাজার

ঐতিহ্যবাহী ইফতার বাজারে রমজানের প্রাণচাঞ্চল্য-চক বাজার

রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক এলাকা চকবাজারে প্রতিবছরের মতো এবারও বসেছে ঐতিহ্যবাহী ইফতারির জমজমাট বাজার। মাহে রমজান শুরু হতেই বিকেলের পর থেকে সরগরম হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। পুরান ঢাকার নিজস্ব স্বাদ ও শতবর্ষী খাদ্যসংস্কৃতির ঐতিহ্য ধরে রেখে নানা পদের ইফতার সামগ্রী সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা।

বাজারজুড়ে দেখা যায় আস্ত মুরগির কাবাব, মোরগ মুসাল্লাম, শিকের ভারী কাবাব, সুতি কাবাব, বোরহানি, হালিম, নেহারি, বিভিন্ন ধরনের চপ, পাকোড়া ও মিষ্টান্নের বাহার। বড় বড় ডেকচি আর শিকে গাঁথা কাবাবের সারি ক্রেতাদের দৃষ্টি কাড়ে। ঐতিহ্যবাহী রেসিপি ও মসলার বিশেষ সংমিশ্রণে তৈরি এসব খাবারের স্বাদ নিতে রোজার প্রথম দিনেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ভিড় করেন অসংখ্য মানুষ।

দুপুর গড়াতেই দোকানিরা ইফতার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কেউ কাবাব ঝলসাচ্ছেন, কেউ বিশাল কড়াইয়ে হালিম নাড়ছেন, আবার কেউ প্যাকেটজাত করে দিচ্ছেন ক্রেতাদের অর্ডার। বিকেল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ক্রেতার চাপ। অনেকেই পরিবারের জন্য ইফতার কিনতে আসেন, কেউ কেউ আবার অতিথি আপ্যায়নের আয়োজন করেন এখানকার বিশেষ পদ দিয়ে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বছরের অন্য সময়ের তুলনায় রমজান মাসেই তাদের বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে রমজানের প্রথম ও শেষ সপ্তাহে ভিড় থাকে সবচেয়ে বেশি। দাম কিছুটা বাড়লেও ঐতিহ্য আর স্বাদের টানে ক্রেতাদের আগ্রহ কমে না।

চকবাজারের এই ইফতার বাজার শুধু কেনাবেচার জায়গা নয়, এটি পুরান ঢাকার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই আয়োজন রমজানকে ঘিরে রাজধানীর এক বিশেষ আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। রোজার মাসজুড়ে সন্ধ্যার আগে চকবাজার যেন হয়ে ওঠে উৎসবমুখর এক মিলনমেলা।

 

 

 

 

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা