মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮৩°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

পুলিশের হামলার প্রতিবাদে ডাকসুর সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি

পুলিশের হামলার প্রতিবাদে ডাকসুর সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি

‘আন্দোলন নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না’-ডাকসু

পুলিশের সঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে বহু মানুষ আহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। কর্মসূচিতে ডাকসু নেতারা অভিযোগ করেন, আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র চলছে, যা কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না।

শুক্রবার রাতে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ এসব কথা বলেন। এর আগে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গণজমায়েত ও বিক্ষোভের ঘোষণা দেয় ডাকসু।

সমাবেশে বক্তব্যে এস এম ফরহাদ বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের দায়িত্বশীলরা তাদের আশঙ্কার কথা ডাকসুকে জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, পুলিশ এবং আন্দোলনের ভেতরে আওয়ামী লীগের একটি গুপ্ত অংশ উসকানি দিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে শাহবাগসহ বিভিন্ন জমায়েতে অনুপ্রবেশ করে আন্দোলনকে নস্যাৎ করার পরিকল্পনা চলছে।

তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারকে কেন্দ্র করে চলমান আন্দোলনকে ব্যবহার করে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রের সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।

ইনকিলাব মঞ্চের অনুরোধের প্রেক্ষিতে কর্মসূচি ক্যাম্পাসের ভেতরে সীমিত পরিসরে আয়োজন করা হয়েছে উল্লেখ করে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক জানান, অন্যান্য ক্যাম্পাসেও একই ধরনের সতর্কতামূলক কর্মসূচির আহ্বান জানানো হয়েছে।

আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফরহাদ বলেন, ভবিষ্যতে পরিকল্পিত ও সংগঠিত কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার আদায়ে সরকারকে বাধ্য করা হবে। প্রয়োজনে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিও তোলা হবে বলে জানান তিনি।

ডাকসুর এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খান বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভেতরে অনুশোচনা তৈরি হবে বলে তারা আশা করেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। বরং শহীদদের নিয়ে বিদ্রূপ ও দমনমূলক আচরণ অব্যাহত রয়েছে, যা নিন্দনীয়।

সমাবেশে ডাকসুর অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন এবং আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা