রাষ্ট্রীয় শোকের মাঝেও প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবারই
সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নিশ্চিত করেছে, আগামী ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ীই এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ৩১ ডিসেম্বর থেকে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় শোক পালনের ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত হতে পারে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে হাজারো চাকরিপ্রার্থী বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।
গুজবের অবসান ঘটাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তা এস এম মাহবুব আলম জানান, পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। ফলে পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা অনুযায়ী পরীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনো পরিবর্তন এলে তা যথাসময়ে জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এবারের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুই ধাপে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব পদের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন প্রার্থী। অর্থাৎ, প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী প্রতিযোগিতায় রয়েছেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৬টি বিভাগে ১০ হাজার ২১৯টি পদের জন্য ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯ জন এবং দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪ হাজার ১৬৬টি পদের জন্য ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১ জন আবেদন করেছেন।
সব ধরনের অনিশ্চয়তা ও গুজবের অবসান ঘটিয়ে এখন পরীক্ষার্থীরা চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।