মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮৩°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে উত্তাল শাহবাগ, রাজপথে নেমেছে ছাত্র-জনতা

 উত্তাল শাহবাগ: শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে রাজপথে ছাত্র-জনতা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানীর শাহবাগ। শুক্রবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্র-জনতা দলে দলে শাহবাগে জড়ো হতে শুরু করেন।

কেউ মিছিল নিয়ে, কেউ আবার ব্যক্তিগত উদ্যোগে উপস্থিত হচ্ছেন আন্দোলনস্থলে। হাতে জাতীয় পতাকা, মুখে ক্ষোভের আগুন। স্লোগানে স্লোগানে কেঁপে উঠছে পুরো এলাকা—
“ফ্যাসিবাদের কালো হাত ভেঙে দাও”,
“এই বাংলায় আওয়ামী লীগের আস্তানা হবে না”,
“হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না”— এমন প্রতিবাদী কণ্ঠে রাজপথ মুখরিত করে তুলছেন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেখা যায়, শাহবাগ মোড় ও আশপাশের এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে আন্দোলনকারীদের উপস্থিতি।

শনিরআখড়া থেকে আসা মাদ্রাসা শিক্ষার্থী আশফাকুর রহমান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,
“আমরা একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিককে হারিয়েছি। গত রাতে ঘুম আসেনি। প্রতিবাদ জানাতেই সকালে এখানে ছুটে এসেছি। হাদির মতো সাহসী মানুষকে হারিয়ে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।”

অন্যদিকে, রামপুরা থেকে শাহবাগে আসা ইমরুল কায়েস বলেন,
“শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, পুরো বাংলাদেশের জন্য শোকের। আমরা এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করব। হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না।”

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১০টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবরে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শেষ নিঃশ্বাসের সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক শরিফ ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে গণসংযোগকালে চলন্ত রিকশায় থাকা অবস্থায় আততায়ীর গুলিতে গুরুতর আহত হন। গুলিটি তার মাথায় লাগে। প্রথমে ঢাকায় এবং পরে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার রাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বর্তমানে রাজধানী ঢাকা একদিকে শোকাহত, অন্যদিকে প্রতিবাদে উত্তাল ও থমথমে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা