সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮৩°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

সোমবার শেখ হাসিনার মামলার রায়: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত সরাসরি দেখাবে বিটিভি

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ নিয়ে দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় আগামীকাল সোমবার ঘোষিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই মামলার প্রধান আসামি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে অভিযুক্ত করেছে।

গুরুত্বপূর্ণ এই রায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে ট্রাইব্যুনাল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ট্রাইব্যুনালের গঠন ও রায় ঘোষণার তারিখ

গত ১৩ নভেম্বর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণার জন্য ১৮ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

অভিযোগ, স্বীকারোক্তি ও বিচার প্রক্রিয়া

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিকভাবে মামলার অভিযোগ গঠন করে তিন আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরু করে। বিচার চলাকালে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রোভার) হিসেবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে পাঁচটি গুরুতর অভিযোগ উপস্থাপন করা হয় এবং তাঁদের সর্বোচ্চ দণ্ড হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দাবি করা হয়।

এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস. এইচ. তামিম।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন দুই আসামির নির্দোষ প্রমাণ চাইলে তাদের খালাস দাবি করেন। রাজসাক্ষী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষের আইনজীবী জায়েদ বিন আমজাদও তাঁর খালাস প্রার্থনা করেন।

স্টার উইটনেস ও মোট সাক্ষীর সংখ্যা

ঐতিহাসিক এই মামলায় মোট ৫৪ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পিতা, অন্যান্য নিহতের স্বজন এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যক্ষদর্শীরা।

স্টার উইটনেস হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান।

চলমান বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রেক্ষাপট

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে ছাত্র–জনতা ও সাধারণ মানুষের গণঅভ্যুত্থান দমনে হত্যাকাণ্ড ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ট্রাইব্যুনাল-২—এই দুটি ট্রাইব্যুনালে একাধিক মামলার বিচার চলছে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা