সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ | ঢাকা ৮৯°F
ই-পেপার
বাংলা | EN
The American Bangladesh

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও বিশ্বের নির্ভরযোগ্য সংবাদ

মেনু
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
ভাষা: বাংলা | EN

“টিআইবি: বৈষম্য কমলে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত—আদিবাসীদের সামাজিক নিরাপত্তায় বড় বৈষম্য”

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, যে কোনো সমাজে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল শর্ত হলো বৈষম্য কমিয়ে ন্যায়বিচারের ভিত্তি তৈরি করা। ন্যায্যতা নিশ্চিত না হলে অসন্তোষ, অস্থিরতা ও অবিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকে—এটাই বাস্তবতা।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তিনি বলেন,
“এ ক্ষেত্রে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা এখনো সম্ভব হয়নি—এটাই আমাদের গবেষণায় স্পষ্ট।”
তার দাবি, সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার তালিকায় উঠতে অনেক আদিবাসীকে ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে বাধ্য হতে হয়, যা বৈষম্যকে আরও গভীর করে।

রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ‘সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি: সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে এই আয়োজন করা হয়। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষণা ফেলো রাজিয়া সুলতানা।

🔎 গবেষণা প্রতিবেদন যা বলছে

টিআইবির গবেষণায় দেখা গেছে—

জাতীয় দারিদ্র্যের তুলনায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা বহুগুণ বেশি দারিদ্র্যের মুখে, অথচ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে তাদের জন্য পর্যাপ্ত অগ্রাধিকার নেই।

আইন ও নীতিমালায় নৃগোষ্ঠীবান্ধব নির্দেশনার ঘাটতি, জটিল আবেদন প্রক্রিয়া, নীতিনির্ধারণে তাদের অনুপস্থিতি এবং ভাষাগত বাধা—এসব মিলেই অন্তর্ভুক্তির হার কমছে।

যোগ্য পাঁচজনের মধ্যে মাত্র একজন নৃগোষ্ঠী সদস্য তালিকাভুক্ত হতে পারছেন।


🏞️ সমতল ও পাহাড়—দুই অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ আলাদা

সমতলের আদিবাসীদের ক্ষেত্রে সচেতনতা কম, জনপ্রতিনিধিত্ব দুর্বল এবং শিক্ষা-প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা বড় বাধা।

পার্বত্য অঞ্চলে কর্মসূচির অভাব ও ভৌগোলিক দুরত্ব, ভাষাগত সমস্যা, তথ্যপ্রাপ্তির সীমাবদ্ধতা এবং প্রশাসনিক সক্ষমতার ঘাটতি অন্তর্ভুক্তিকে আরও কমিয়ে দিয়েছে।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

সম্পর্কিত সংবাদ

আরও খবর
সকল স্বত্ত্ব @ বস্টন বাংলা