ভোটের নিরাপত্তায় ১ লাখ সেনা: ত্রয়োদশ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কঠোর ইসি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শতভাগ স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে নিরাপত্তার নিশ্চিদ্র চাদর তৈরি করতে সারা দেশে মোতায়েন করা হচ্ছে প্রায় এক লক্ষ সেনাসদস্য। তিন বাহিনীর প্রধানরা নির্বাচন কমিশনকে আশ্বস্ত করেছেন যে, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে যা যা প্রয়োজন, তার সবটুকুই নিশ্চিত করা হবে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, "শহীদ ওসমান হাদির আত্মত্যাগকে শক্তিতে রূপান্তর করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।"
যৌথ বাহিনীর অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
নির্বাচন কমিশনার জানান, ভোটের পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে দেশজুড়ে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় দুই হাজার অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই অভিযানের নিয়মিত আপডেট সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জনগণকে জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
শীর্ষ পর্যায়ের রুদ্ধদ্বার বৈঠক
এর আগে দুপুর থেকে নির্বাচন ভবনে শুরু হয় উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠক। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও এনএসআইসহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর প্রথমবার সিইসি'র সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।
মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।